1. admin@narsingdirnotunshomoy.com : adminnns24 :
  2. raipuranews71@gmail.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
রায়পুরায় এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নিহত নারী-শিশুসহ ৬ - Narsingdir Notun Shomoy
April 16, 2026, 1:36 pm
শিরোনাম :
নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের আত্মপ্রকাশ, সভাপতি আউয়াল সম্পাদক সজল রায়পুরায় নিখোঁজের পর ছাদ থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার, ঘটনাস্থলে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট রায়পুরায় সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির সমাজ বিনির্মানে মাহে রমজানের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল রায়পুরায় সামাজিক ও মানবিক সংগঠন “রায়পুরার কথা”র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত রায়পুরায় নারীদের মানববন্ধনে হামলার ঘটনায় ১১ দিনেও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ, অভিযোগ বাদীর রায়পুরায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বিএনপি নেতার হামলা ও সাংবাদিকদের কাজে বাঁধা রায়পুরায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনে বিএনপি নেতার হামলা, সাংবাদিকদের কাজে বাধা সার্বিয়া ও ইতালি নেওয়ার কথা বলে কয়েক কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা দালাল চক্র রায়পুরা পৌরসভায় যান চলাচলে টোল মুক্ত ঘোষণা

রায়পুরায় এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নিহত নারী-শিশুসহ ৬

  • Update Time : Thursday, August 22, 2024
  • 227 Time View

শাহরিয়ার ইমন, নরসিংদী :  নরসিংদীর রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে টেঁটা ও গুলিবিদ্ধ হয়ে নারী-শিশুসহ ছয়জন নিহত হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের ২০ থেকে ২৫ আহত হয়েছে।

আহতরা উপজেলা ও নরসিংদী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।  উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়দাবাদ ও বালুচর এলাকায় গতকাল রাতে ও আজ বৃহস্পতিবার সকালে দুই গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়দাবাদ এলাকার ইসমাঈল হোসেন ব্যাপারীর দুই ছেলে আমির হোসেন (৭০) ও বাদল মিয়া (৪৫), আব্বাস আলীর ছেলে আনিছ মিয়া (২৫), শাহীন মিয়ার ছেলে ও নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোস্তাকিম জুনায়েদ (১৬), সিদ্দিক মিয়া ও একই ইউনিয়নের বাঘাইকান্দি এলাকার শাহাবুদ্দিনের স্ত্রী ফিরোজা বেগম (৩৫)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দুটি পক্ষের মধ্যে একটির নেতৃত্বে আছেন রায়পুরা উপজেলা বিএনপি সদস্য আবু হানিফ জাকারিয়া (হানিফ মাস্টার) ও অন্যটির নেতৃত্বে আছেন শ্রীনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মিয়া। উল্লেখ্য যে, দীর্ঘ ১৭টি বছর আবু হানিফ জাকারিয়া আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় ছিলেন এবং দলীয়  সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করেছেন।

এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পাঁচ বছর ধরে দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর দুটি পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরী হয়। বুধবার রাত ১২টার দিকে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র টেঁটা, দা, বল্লম, ছুরি ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ান। এতে উভয় পক্ষের ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়। গভীর রাতে পুলিশ সেখানে যেতে পারেনি।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় আবারও সংঘর্ষে জড়ান দুটি পক্ষ। ওই সময় টেঁটা ও গুলিবিদ্ধ হয়ে নারী ও শিশুসহ ছয়জন নিহত হয়। নিহত সবাই আ. লীগ নেতা ফিরোজ মিয়ার অনুসারী বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় আহত হন উভয় পক্ষের ২০ থেকে ২৫ জন। আহতদের মধ্যে তোফাজ্জল মিয়া নামে এক স্কুল শিক্ষককে আশঙ্কাজন অবস্থায় ঢাকা পাঠানো হয়েছে। তাঁর বুকে ও কোমড়ে দুটি টেঁটার আঘাত রয়েছে।

রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) রঞ্জন বর্মন বলেন, হাসপাতালে ১৯ আহত জন রোগীকে আনা হয়। এর মধ্যে তিন জনকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। তাদের শরীরে টেঁটা ও গুলির আঘাত ছিল। গুরুতর আহত একজনকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠাই। সেখানে শুনেছি তার মৃত্যু হয়ছে।

নিহত শিক্ষার্থী জুনায়েদের ভাই সানজিদ জানান, স্কুলে যাওয়ার পথে আমার ভাই জুনায়েদকে মাথায় গুলি করে হত্যা করে হানিফ মাস্টার ও তার বাহিনীরা। তারা আমাদের বাড়িতেও ভাঙচুর ও মালামাল লুট করেছে। বাড়িতে হামলা চালিয়ে দুই ভাই আমির হোসেন ও বাদল মিয়াকে গুলি করে প্রতিপক্ষের লোকেরা হত্যা করেছে বলে জানান বোন আনোয়ারা বেগম। তিনি বলেন, আমার ভাইয়েরা নিরহ। তারা ঝগড়া করেনি। আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বড় ভাই আমিরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আনার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। অপর ভাই বাদলকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সে মারা যায়। এ ঘটনায় জড়িত হানিফ মাস্টার ও  তার ক্যাডার ইউনুসসহ হানিফ বাহিনীর বিচার দাবি করেন তিনি। এবং হানিফ মাষ্টার এলাকায় ফেরাউন হিসেবে পরিচিত বলেও জানান অনেকে।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে দুটি পক্ষের দলনেতা বিএনপি নেতা আবু হানিফ জাকারিয়া ও আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ মিয়াকে মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলেও ধরেননি তারা। এ কারণে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রায়পুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাফায়েত হোসেন পলাশ বলেন, ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা আছে। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের দ্বন্ধ দীর্ঘদিন ধরে চলছে। তিনজন নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে জানান তিনি। দুপুরের পর থেকে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2024 Narsingdirnotunshomoy.com
Web Design & Developed By Khan IT Host