
রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি : নরসিংদীর রায়পুরায় নিজেকে চরম নিরাপত্তাহীন ভেবে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন কাজল নামের এক যুবক। তার পুরো নাম মো. ইমরান হোসেন, ডাকনাম কাজল। সে উপজেলার অলিপুরা ইউনিয়নের নবিয়াবাদ গ্রামের মৃত্যু, মোয়াজ্জেম হোসেন এর তৃতীয় ছেলে। বয়স আনুমানিক চল্লিশ বছর।
বিজ্ঞাপন : আপনার মূল্যবান বিজ্ঞাপন দিন
লাইলা কানিজ লাকি’কে আপনার মূল্যবান ভোট দিন।
মঙ্গলবার (১৪মে) সন্ধ্যায় রায়পুরা প্রেসক্লাবে হাজির হয়ে তার দুঃখ দুর্দশার কথা জানান। এসময় তিনি বলেন, রায়পুরা বাজারে রাজ সুপার মার্কেট অর্থাৎ নান্নু মার্কেটে আমার একটি দোকান ছিলো। দোকানটি আর্থিক প্রয়োজনে অন্যত্র লোকের কাছে বিক্রি করে দিই। দোকান ঘরটি বিক্রি করার পর থেকেই অজ্ঞাত নামা কিছু লোক আমার সাথে শত্রুতা শুরু করে দিয়েছে। গত ০৯-০৫-২৪ ইং তারিখ রাত অনুমান ১১ঘটিকার সময় আমি এবং আমার পরিবারের লোকজন খাওয়া দাওয়া শেষ করিয়া আমাদের বসত বাড়ীর টিনসেট বিল্ডিং ঘরে ঘুমাইয়া যায়। পরে ১০-০৪-২৪ ইং তারিখ রাত অনুমান ২ঘটিকার সময় অজ্ঞাত নামা কে বা কাহারা ধাক্কা মারিয়া আমার টিনসেট ঘরের জানালা ভেঙে ফেলে দেয়।
এখানে কে জানতে চাইলে আমাকে বিভিন্ন ধরনের গালিগালাজ ও হুমকি দিয়া চলে যায়। এছাড়াও অজ্ঞাত নামা কে বা কাহারা প্রায় সময় আমার মোবাইল নাম্বারে কল করিয়া আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভয় ভীতি হুমকি প্রদান করে এবং আমার দোকান ঘর বিক্রির টাকা হইতে মোটা অংকের টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে আমাকে জীবনে মারিয়া লাশগুম করার হুমকিও দেন তারা।
এমতাবস্থায় কাজল জীবনের নিরাপত্তাহীনতা ও মানসিক যন্ত্রণা থেকে বাঁচতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, কাজল একজন নিরীহ ও ভদ্রলোক। সাম্প্রতিক সময়ে রায়পুরা বাজারে থাকা তার দোকান ঘরটি বিক্রি করার পর থেকেই কতিপয় অজ্ঞাতনামা দূর্বৃত্তরা মূলত তার পয়সাগুলো হাতিয়ে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে পায়রা করে আসছে।
এবিষয়টি একাধিকবার কাজল স্থানীয়দের জানিয়েছেন বলে জানান তারা। এমতাবস্থায় মানসিক যন্ত্রণা থেকে পরিত্রাণ ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ইমরান হোসেন কাজল রায়পুরা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এন’নস/এমনআ
Leave a Reply